আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দামের ওঠানামাজনিত ঝুঁকি কমাতে আমদানিকারকদের জন্য কমোডিটি প্রাইস রিস্ক হেজিং সুবিধা চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) একটি নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
নতুন ব্যবস্থার আওতায় অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো যোগ্য আমদানিকারকদের কমোডিটি মূল্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সুবিধা দিতে পারবে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেলে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আমদানিকারকেরা সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি কমাতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যবসার ব্যয় ও মুনাফার পূর্বাভাস করাও সহজ হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রকৃত আমদানি দায়ের বিপরীতে যোগ্য আমদানিকারকেরা কমোডিটি ফিউচার, সোয়াপ, কমোডিটি সূচকভিত্তিক ফরোয়ার্ড চুক্তি ও অপশনসহ আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত বিভিন্ন হেজিং পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন।
কাঁচামাল, মধ্যবর্তী পণ্য, জ্বালানি, ভোজ্যতেল, ধাতু, শস্য ও সারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে। আমদানিকারকেরা তাদের প্রকৃত আমদানি ঝুঁকির সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হেজ করতে পারবেন। তবে এর জন্য প্রয়োজনীয় দলিলপত্র সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
পণ্যের দামের পরিবর্তনে আমদানিকারক ও উৎপাদক—উভয় পক্ষই আর্থিক ঝুঁকিতে পড়েন। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে গেলে আমদানিকারকদের ক্রয়মূল্য ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। আবার দাম কমে গেলে উৎপাদকদের লোকসানের ঝুঁকি তৈরি হয়। তেল, ইস্পাত ও কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের দামের ওঠানামা সরাসরি উৎপাদন, পরিবহন ও ব্যবসার ব্যয়ে প্রভাব ফেলে।
হেজিং চুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে পণ্যের দাম নিয়ে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এতে বাজারদরের বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রভাব কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয় এবং ব্যবসার অনিশ্চয়তা কমে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, হেজিংকে জল্পনামূলক ব্যবসার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এর মূল উদ্দেশ্য হবে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দামের ওঠানামাজনিত প্রকৃত ঝুঁকি কমানো। এডি ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকের ঝুঁকি যথাযথভাবে যাচাই, প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ, ঝুঁকি প্রকাশ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদন দেওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
নতুন ব্যবস্থার আওতায় অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো যোগ্য আমদানিকারকদের কমোডিটি মূল্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সুবিধা দিতে পারবে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেলে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আমদানিকারকেরা সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি কমাতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যবসার ব্যয় ও মুনাফার পূর্বাভাস করাও সহজ হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রকৃত আমদানি দায়ের বিপরীতে যোগ্য আমদানিকারকেরা কমোডিটি ফিউচার, সোয়াপ, কমোডিটি সূচকভিত্তিক ফরোয়ার্ড চুক্তি ও অপশনসহ আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত বিভিন্ন হেজিং পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন।
কাঁচামাল, মধ্যবর্তী পণ্য, জ্বালানি, ভোজ্যতেল, ধাতু, শস্য ও সারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে। আমদানিকারকেরা তাদের প্রকৃত আমদানি ঝুঁকির সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হেজ করতে পারবেন। তবে এর জন্য প্রয়োজনীয় দলিলপত্র সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
পণ্যের দামের পরিবর্তনে আমদানিকারক ও উৎপাদক—উভয় পক্ষই আর্থিক ঝুঁকিতে পড়েন। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে গেলে আমদানিকারকদের ক্রয়মূল্য ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। আবার দাম কমে গেলে উৎপাদকদের লোকসানের ঝুঁকি তৈরি হয়। তেল, ইস্পাত ও কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের দামের ওঠানামা সরাসরি উৎপাদন, পরিবহন ও ব্যবসার ব্যয়ে প্রভাব ফেলে।
হেজিং চুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে পণ্যের দাম নিয়ে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এতে বাজারদরের বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রভাব কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয় এবং ব্যবসার অনিশ্চয়তা কমে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, হেজিংকে জল্পনামূলক ব্যবসার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এর মূল উদ্দেশ্য হবে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দামের ওঠানামাজনিত প্রকৃত ঝুঁকি কমানো। এডি ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকের ঝুঁকি যথাযথভাবে যাচাই, প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ, ঝুঁকি প্রকাশ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদন দেওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
অনলাইন ডেস্ক